Technology Dunia....

ওয়েব ২.০ (web 2.0) কি? এটার সম্পূর্ণ গাইডলাইন

প্রথমে সবাইকে শুভেচ্ছা জানাই,
আপনারা সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন এর ওয়েব ২.০ এর নাম অবশ্যই শুনেছেন। এই আর্টিকেল এ ওয়েব ২.০ নিয়ে সম্পূর্ণ আলোচনা করার চেষ্টা করবো। বেশি কথা নাহ বলে, শুরু করা যাক।
web 2.0

ওয়েব ২.০ কি?
আমরা অনেক ফ্রী ব্লগ সাইট ও সোশ্যাল মিডিয়া সাইট দেখি। এরা ফ্রী অ্যাকাউন্ট করতে দেয় ও অন্যান্য সুযোগ সুবিধা দিয়ে থাকে। এসব ওয়েবসাইট গুলোতে অ্যাকাউন্ট করে ও বিভিন্ন উপায়ে লিঙ্ক শেয়ার করে ব্যাকলিঙ্ক তৈরি করার মাধ্যম হলো ওয়েব ২.০। আপনি আপনার সাইট বা ব্লগ এর জন্য ওয়েব ২.০ করে ব্যাকলিঙ্ক তৈরি করে সার্চ ইঞ্জিন রেঙ্কিং বাড়াতে পারেন। ভালো ভাবে ওয়েব ২.০ করলে লো কোয়ালিটি ডোমেইন দিয়েই ভালো রেঙ্কিং পাওয়া যায় । তাহলে, ওয়েব ২.০ এর ভালু আছে এটা অবশ্যই বলা যায় ।

ওয়েব ২.০ এর করার উদ্দেশ্যঃ
ওয়েব ২.০ এর উদ্দেশ্য হলো ব্যাকলিঙ্ক তৈরি করা । আর, সার্চ ইঙ্গিন রেঙ্কিং বাড়ানোরে জন্যই লিঙ্ক বিল্ডিং করা হয় । ভালো কি ওয়ার্ড নিয়ে সার্চ রেঙ্কিং এর প্রথম দিকে থাকলে সার্চ ইঞ্জিনই প্রচুর ট্রাফিক যোগাড় করে দিবে। এসব কারনেই, লিঙ্ক বিল্ডিং আর ওয়েব ২.০ এই লিঙ্ক বিল্ডিং এর একটা প্রসেস । নিচে ওয়েব ২.০ করার কিছু উদ্দেশ্য বলা হলঃ

ওয়েব ২.০ করে আপনি আপনার ওয়েব সাইট বা ব্লগ এর জন্য ভালো মানের ব্যাকলিঙ্ক তৈরি করতে পারবেন ।
ওয়েব ২.০ করে আপনি হাই রেঙ্কিং সাইট গুলো থেকে ব্যাকলিঙ্ক নিতে পারবেন ।
ওয়েব ২.০ দ্বারা যে সকল ব্যাকলিঙ্ক নিবেন সেই, ব্যাকলিঙ্ক গুলো সার্চ ইঞ্জিন রেঙ্কিং ও অন্যান্য রেঙ্কিং বাড়তে সাহায্য করবে ।
ওয়েব ২.০ আপনাকে সরাসরি তেমন ট্রাফিক নাহ দিলেও, সার্চ রেঙ্কিং বাড়িয়ে প্রচুর ট্রাফিক যোগাড় করে দিবে ।

ওয়েব ২.০ যেভাবে করবেনঃ
ওয়েব ২.০ করা তেমন কোন কষ্টের ব্যাপার না। কিন্তু, উল্টাপাল্টা নিয়মে ওয়েব ২.০ করতে থাকলে হীতে বিপরীত হতে পারে। নিচে সঠিক ভাবে ওয়েব ২.০ করার নিয়ম ও কিছু সাজেশন দেওয়া হলোঃ

এই আর্টিকেলে আমি ওয়েব ২.০ করার জন্য কিছু সাইট শেয়ার করবো, সেগুলো ড্রাইভে বা মাইক্রোসফট এক্সেল ফাইলে সেভ করুন। তাহলে, কাজ করতে সুবিধা হবে।

এবার, একটা একটা করে সাইট গুলো ভিজিট করুন ও ইমেইল সহ অন্যান্য তথ্য দিয়ে রেজিস্ট্রেশন করুন।
কোন সাইট থেকে কি ভাবে ব্যাকলিঙ্ক নিতে হবে, এটা সাইট এ ভিজিট করলেই বুঝতে পারবেন। সাধারণ ভাবে ঐ সাইটটা দেখেই আপনি বুঝতে পারবেন। তারপরেও
নিচের প্রসেস গুলো দেখুনঃ
# "যদি সেই সাইট, আপনাকে সাব ডোমেইন এর সাইট করে কন্টেন্ট পাবলিশ করতে দেয় তাহলে কন্টেন্ট পাবলিশ করার মাধ্যমে করতে হবে ।" এর মধ্যে ব্লগার, ওয়ার্ডপ্রেস ডট কম উল্লেখযোগ্য
# "সোশ্যাল সাইট, যেমন গুগল+ বা ইউটিউব। এখানে, আপনাকে অ্যাকাউন্ট প্রোফাইল পেজ থেকে ব্যাকলিঙ্ক নিতে পারবেন ।"
# "কিছু সাইট এ আপনাকে কোন আর্টিকেল অন্য কোন ফরম্যাট এ পাবলিশ করতে হতে পারে। "

অ্যাকাউন্ট করার পরে, সাব ডোমেইন করা গেলে সাব ডোমেইন করুন। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে এটাই করা হয়ে থাকে । সাব ডোমেইন টি আপনার কিওয়ার্ড দিয়ে করবেন নাহ । অন্য কোন নাম বা কিওয়ার্ড দিয়ে করাই ভালো। ডিজাইন নিয়ে কোন মাথা ঘামানোর প্রয়োজন নেই। মোটামুটি একটা ভালো মানের আর্টিকেল পাবলিশ করুন ( ভালোভাবে রিরাইট করে বা অন্য কোন উপায়ে অল্প সল্প ইউনিক করলেই হবে তবে, পুরা কপি পেস্ট এর আন্ডারে চলে যেয়েন নাহ ) । আর্টিকেল টা আপনার সাইট এর আর্টিকেল গুলোর মতো বা সেম ক্যাটাগরি এর হবে নাহ। কীওয়ার্ড যদি হয় "bangladeshi school list" তাহলে ঐ আর্টিকেল হবে এমন "bangladedhi collage list"। আর্টিকেল এর শেষে ক্রেডিট বা অন্য কিছু মধ্যে আপনার কিওয়ার্ড লিঙ্ক সহ লিখুন। একটা সাব ডোমেইন এর সাইট থেকে যতো ব্যাকলিঙ্ক নিতে থাকবেন ততো ব্যাকলিঙ্ক এর ভেলু কমতে থাকবে। তাই চেষ্টা করুন, ১টা সাব ডোমেইন এর সাইট থেকে ২ এর বেশি ব্যাকলিঙ্ক নাহ নিতে । অতএব আপনি যতগুলো পারেন সাইট তৈরি করে একটি করে পোস্ট করে নিচে আপনার মেইন সাইটের লিংক দিন

কিছু সাইট আপনাকে সাব ডোমেইন করতে দিবে নাহ। যেমন, গুগল+। আপনাকে জিমেইল অ্যাকাউন্ট দ্বারা গুগল+ এ লগিন করতে হবে ও প্রোফাইল এ ওয়েবসাইট বা এই ধরনের সেকশন এ লিঙ্ক দিয়ে ব্যাকলিঙ্ক নিয়ে হবে । গুগল+ এর মতো সব সোশ্যাল সাইট এ আপনি প্রোফাইল ব্যাকলিঙ্ক নিতে পারবেন। এটা নিয়ে তেমন কিছু বলার নেই। আশা করি বুজতে পারছেন বিষয়টা। নিচে কিছু পেজ রাঙ্কসহ ওয়েব ২.০ কাজ করার সাইট দেওয়া হলঃ


বুঝতে অসুবিধা হলে কমেন্ট করতে পারেন যথাসাধ্য সাহায্য করা হবে

Share:

1 comments:

  1. pls. clear this line "আর্টিকেল এর শেষে ক্রেডিট বা অন্য কিছু মধ্যে আপনার কিওয়ার্ড লিঙ্ক সহ লিখুন।"

    ReplyDelete

Search

Blog Archive